চলমান সংঘাতের মধ্যে ইরান ঘোষণা দিয়েছে যে তারা একটি দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত। দেশটির ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস (IRGC)-এর মুখপাত্র আলী মোহাম্মদ নায়েনি জানিয়েছেন, তেহরান এমন কিছু নতুন ও শক্তিশালী যুদ্ধপ্রযুক্তি ও অস্ত্র ব্যবহার করতে যাচ্ছে যা আগে কখনও এই সংঘাতে ব্যবহার করা হয়নি।
তার মতে, আগামী হামলাগুলোতে শত্রুপক্ষের জন্য “বেদনাদায়ক আঘাত” অপেক্ষা করছে।
আইআরজিসি জানায়, গত বছর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল-এর সঙ্গে হওয়া ১২ দিনের সংঘর্ষের তুলনায় এখন ইরান অনেক বেশি প্রস্তুত।
এই যুদ্ধকে তারা “পবিত্র ও বৈধ যুদ্ধ” হিসেবে উল্লেখ করেছে এবং জানিয়েছে, নতুন প্রযুক্তি ও অস্ত্র শিগগিরই বড় পরিসরে ব্যবহার করা হবে।
ট্রাম্পের দাবি বনাম ইরানের প্রতিক্রিয়া
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের ওপর এমন হামলা চালানো হচ্ছে যা বিশ্ব আগে কখনও দেখেনি। তার মতে,
ইরানের বিমান বাহিনী,বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা,প্রায় সম্পূর্ণভাবে অকার্যকর হয়ে গেছে।
তবে এই দাবি উড়িয়ে দিয়েছেন ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব আলী লারিজানি। তিনি বলেন, যদি যুক্তরাষ্ট্র স্থল আক্রমণ চালায়, তবে ইরানি বাহিনী হাজার হাজার মার্কিন সেনাকে হত্যা বা বন্দী করতে প্রস্তুত।
২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া মার্কিন-ইসরাইলি হামলায় ইরানে এক হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে বলে জানা গেছে। রাজধানী তেহরান-এর দক্ষিণ-পশ্চিমে পারান্ড শহরের দুটি স্কুলেও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হয়েছে।
যুদ্ধের প্রভাব এখন পুরো মধ্যপ্রাচ্যে ছড়িয়ে পড়ছে। ইরান ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে
তেল আবিব (ইসরাইলের বাণিজ্যিক কেন্দ্র)
এবং উপসাগরীয় কয়েকটি দেশকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে, যেমন—
সংযুক্ত আরব আমিরাত,কাতার,বাহরাইন
ফলে সংঘাত এখন পুরো মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে বড় আকারের যুদ্ধে রূপ নেওয়ার আশঙ্কা তৈরি করেছে।
এমআর/