নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়ন থেকে আবদুল আহাদ (২২) নামের এক অটোরিকশা চালকের মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতের মুখমণ্ডল কস্টেপ দিয়ে প্যাচানো ছিল। তবে এ সময় তার ব্যবহৃত অটোরিকশাটি পাওয়া যায়নি।
রোববার বিকেলে কুতুবপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড মুন্সী বাড়ি ব্রিজ সংলগ্ন ধানক্ষেত থেকে মৃতদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত আহাদ কুতুবপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রামের কালুরঘাটে চাকরিরত অবস্থায় আহাদের মায়ের বিয়ে হয়। আহাদের জন্মের দুই বছর পর তার বাবা মায়ের বিচ্ছেদ হয়ে যায়। এরপর ছেলেকে নিয়ে কুতুবপুর ১নং ওয়ার্ড নানার বাড়িতে চলে আসেন আহাদের মা। পরবর্তীতে তার মা দ্বিতীয় বিয়ে করে সোনাইমুড়ী শ্বশুরবাড়িতে থাকেন। গত কয়েক বছর ধরে কুতুবপুর ৩নং ওয়ার্ডের জিলানী নামে এক ব্যক্তির গ্যারেজে থেকে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করত আহাদ। শনিবার দিবাগত রাত ১টার দিকে অটোরিকশার মালিক ফোনে আহাদের নানার বাড়িতে জানান আহাদ রিকশা নিয়ে গ্যারেজে ফেরেনি। এরপর থেকে অটোরিকশাসহ নিখোঁজ ছিলো সে। রোববার বিকেলে জমির মালিক ধানক্ষেতে পানি দিতে গিয়ে মুখে কসটেপ মোড়ানো অবস্থায় আহাদের মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়দের জানালে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মৃতদেহ উদ্ধার করে।
বেগমগঞ্জ মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. হাবীবুর রহমান বলেন, ঘটনাস্থল থেকে নিহতের মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে দুর্বৃত্তরা অটোরিকশাটি ছিনতাই এর উদ্দেশ্যে হাতের মুখমণ্ডলে কস্টেপ পেছিয়ে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। ঘটনাটির রহস্য উদঘাটনে পুলিশ কাজ করছে।
এমআর/