সংবিধান সংস্কার পরিষদের বিশেষ অধিবেশন আহ্বানের দাবি ঘিরে জাতীয় সংসদ–এ সরকারি ও বিরোধী দলের সদস্যদের মধ্যে তুমুল বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।
রোববার (২৯ মার্চ) অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্ব শেষে পয়েন্ট অব অর্ডারে বক্তব্য দেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি জুলাই জাতীয় সনদ ও সংবিধান সংস্কার বাস্তবায়ন আদেশ অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার পরিষদের বিশেষ অধিবেশন আহ্বানের দাবি জানান।
তিনি বলেন, স্পিকারের নির্দেশনা অনুযায়ী যথাযথভাবে নোটিশ উত্থাপন করা হয়েছে এবং এটি আলোচনার জন্য গ্রহণ করা উচিত।এ সময় সরকারি দলের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম সংসদীয় কার্যপ্রণালী বিধির বিষয়টি তুলে ধরে বলেন, প্রশ্নোত্তর পর্ব ও ৭১ বিধি শেষ হওয়ার পরই এ ধরনের বিষয় উত্থাপন করা হয়।
পরে বক্তব্য দিতে চান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, তবে এ নিয়ে বিরোধী দলের আপত্তি দেখা দেয়। ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল পরিস্থিতি সামাল দিয়ে মন্ত্রীকে বক্তব্য শেষ করার সুযোগ দেন।এদিকে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেন, গণভোট ও জুলাই সনদ একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, যা সংসদে আলোচনা হওয়া উচিত।
পরে চিফ হুইপ জানান, বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ এবং ৭১ বিধি শেষে অথবা স্পিকারের নির্ধারিত সময়ে আলোচনায় আনা যেতে পারে। শেষ পর্যন্ত ডেপুটি স্পিকার জানান, সংশ্লিষ্ট বিধি পর্যালোচনা করে ৭১ বিধির পর নোটিশটির বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেওয়া হবে। পরে স্পিকার সংসদীয় বিধি অনুসরণ করে পরবর্তী কার্যদিবস বা নির্ধারিত সময়ে এ বিষয়ে আলোচনার আশ্বাস দিলে পরিস্থিতি শান্ত হয়।
এমআর//