আন্তর্জাতিক

লিমন-বৃষ্টি হত্যা রহস্যে নতুন তথ্য দিলেন এফবিআই এজেন্ট

detaillogo
ডেস্ক নিউজ
২৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৫৩
PostImage

যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডার (ইউএসএফ) বাংলাদেশি শিক্ষার্থী জামিল লিমনের মরদেহ শুক্রবার সকালে হাওয়ার্ড ফ্র্যাংকল্যান্ড সেতু এলাকায় উদ্ধার করা হয়েছে।


যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডার (ইউএসএফ) বাংলাদেশি শিক্ষার্থী জামিল লিমনের মরদেহ শুক্রবার সকালে হাওয়ার্ড ফ্র্যাংকল্যান্ড সেতু এলাকায় উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় তার রুমমেট হিশাম আবুগারবিয়েহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অপর বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নাহিদা বৃষ্টির মরদেহ এখনো উদ্ধার করা যায়নি।

হিলসবরো কাউন্টি শেরিফের দপ্তর জানিয়েছে, শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে লেক ফরেস্ট এলাকায় সহিংসতার ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। সেখানে অভিযুক্ত আবুগারবিয়েহ বাড়ি থেকে বের হতে অস্বীকৃতি জানালে সোয়াট টিম মোতায়েন করা হয়। পরে সে শান্তিপূর্ণভাবে আত্মসমর্পণ করে এবং তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

জেল রেকর্ড অনুযায়ী, আবুগারবিয়েহর বিরুদ্ধে আগেও একাধিক মামলা ছিল। ২০২৩ সালে চুরি, মারধর ও পারিবারিক সহিংসতার অভিযোগে সে দোষী সাব্যস্ত হয়েছিল। ২০২৫ সালেও তার বিরুদ্ধে একই ধরনের সহিংসতার মামলা হয়। নিহত জামিল লিমন ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডার ভূগোল, পরিবেশ বিজ্ঞান ও নীতি বিভাগের ডক্টরাল শিক্ষার্থী ছিলেন। নিখোঁজ নাহিদা বৃষ্টি রাসায়নিক প্রকৌশল বিভাগের শিক্ষার্থী। গত ১৬ এপ্রিল তাদের সর্বশেষ দেখা যায়। পরদিন এক পারিবারিক বন্ধু পুলিশকে বিষয়টি জানান।

বৃষ্টির সন্ধানে হিলসবরো কাউন্টি শেরিফের মেরিন ও ডাইভ ইউনিট হাওয়ার্ড ফ্র্যাংকল্যান্ড সেতুর আশপাশের জলসীমায় তল্লাশি চালাচ্ছে। এফবিআইয়ের সাবেক বিশেষ এজেন্ট এবং ইউএসএফ সেন্টার ফর জাস্টিস রিসার্চ অ্যান্ড পলিসির সহপরিচালক ড. ব্রায়ানা ফক্স বলেন, বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে থাকা প্রমাণ দেখে ধারণা করা হচ্ছে, ঘটনাটি পূর্বপরিকল্পিত নয়; বরং হঠাৎ উত্তেজনা বা রাগের মাথায় ঘটানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, পরিচিতজনদের মধ্যে সংঘটিত এ ধরনের ঘটনায় সাধারণত অর্থনৈতিক বিরোধ, ঈর্ষা বা ব্যক্তিগত ঝগড়া কারণ হয়ে থাকে।

হিলসবরো কাউন্টির শেরিফ চ্যাড ক্রোনিস্টার বলেন, “এটি অত্যন্ত উদ্বেগজনক একটি ঘটনা, যা পুরো সমাজকে নাড়িয়ে দিয়েছে। জামিল লিমনের মরদেহ উদ্ধার হৃদয়বিদারক। তবে তদন্তকারীরা নিরলসভাবে কাজ করছেন এবং দায়ীদের অবশ্যই বিচারের আওতায় আনা হবে।”