ইরান ও হিজবুল্লাহ–এর যৌথ হামলার পর ইসরাইলে নতুন সংকট সৃষ্টি হয়েছে। হাইফার হামলার পর এবার অবৈধ ভূখণ্ডের নিওত হোভভ শিল্পাঞ্চল ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ব্যাপক অগ্নিকাণ্ডে ভেসে গেছে। ইসরাইলের পরিবেশ সুরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বিস্ফোরণের ফলে বিপজ্জনক রাসায়নিক চুইয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, রাসায়নিক চুইয়ে পড়ার বিষয়টি পরীক্ষা করা হচ্ছে। তবে রামাত নেগেভ আঞ্চলিক কাউন্সিলের আশেপাশের শহরগুলোতে আপাতত ঝুঁকির সম্ভাবনা নেই।
ইসরাইলি গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিস্ফোরণের শকওয়েভে একজন ব্যক্তি আহত হয়েছেন। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ৪০ নম্বর হাইওয়ে বন্ধ করেছে এবং আঞ্চলিক কাউন্সিল নাগরিকদের বিকল্প পথ ব্যবহার করার পরামর্শ দিয়েছে। হোম ফ্রন্ট কমান্ড বাসিন্দাদের ঘরের ভিতরে অবস্থান করতে, এয়ার কন্ডিশনার বন্ধ রাখতে এবং জানালা বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে।
ইসরাইলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, ক্ষেপণাস্ত্র আঘাতের ঘটনা সম্ভবত নতুন ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ বা শার্পনেলের কারণে ঘটেছে। সামরিক বাহিনী রোববার এএফপিকে জানিয়েছে, “আমরা ধারণা করছি, এটি ক্ষেপণাস্ত্রের একটি ধ্বংসাবশেষের আঘাত।”
টেলিভিশন চ্যানেলগুলোতে দেখা গেছে, নেগেভ মরুভূমির রামাত হোভভ শিল্পাঞ্চল থেকে কালো ধোঁয়া কুণ্ডলী উঠে গেছে। পুলিশ জানিয়েছে, আগুনটি সম্ভবত গোলাবারুদ বা প্রতিহত করা ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষের আঘাতের কারণে লেগেছে।
বর্তমানে আরও ধ্বংসাবশেষ খুঁজে বের করতে এবং জনগণের জন্য কোনো বিপদ এড়াতে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। সামরিক বাহিনী ইতিমধ্যেই জানিয়েছে, রোববার ইরান থেকে আসা পাঁচ দফায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শনাক্ত করা হয়েছে। প্রতিবারই তারা হুমকি মোকাবিলায় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে সক্রিয় করেছে।
এমআর/