সারাদেশ

ঢাকার সড়কে স্বয়ংক্রিয় মামলার দিকে যাচ্ছে ডিএমপি

detaillogo
নিজস্ব প্রতিবেদক
১১ মে ২০২৬, ১৪:৩৪
PostImage

ঢাকা মহানগরের সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে স্বয়ংক্রিয় ট্রাফিক মামলার ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।


ঢাকা মহানগরের সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে স্বয়ংক্রিয় ট্রাফিক মামলার ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। আগামী ছয় মাসের মধ্যেই রাজধানীতে পূর্ণাঙ্গভাবে এ ব্যবস্থা চালু হতে পারে বলে জানিয়েছেন ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ার।

সোমবার (১১ মে) দুপুরে বিমানবন্দর ক্রসিংয়ে সৌরশক্তিচালিত ট্রাফিক সিগন্যাল লাইট উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব তথ্য জানান। ডিএমপি কমিশনার বলেন, ভবিষ্যতে ট্রাফিক সার্জেন্ট বা পরিদর্শকদের ম্যানুয়াল মামলা খুব একটা করতে হবে না। রাজধানীর যেকোনো স্থানে ট্রাফিক আইন বা মোটরযান আইন লঙ্ঘন করলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে মামলা হবে। তিনি জানান, ইতোমধ্যে ঢাকার ৩০টি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে এআই প্রযুক্তিনির্ভর ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। এসব ক্যামেরা আইন ভঙ্গকারী যানবাহনের ভিডিও ফুটেজ ধারণ করছে এবং সফটওয়্যারের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে মামলা তৈরি করা হচ্ছে। এরপর বিআরটিএ’র ডাটাবেজ থেকে গাড়ির মালিকের তথ্য সংগ্রহ করে তাদের ঠিকানায় প্রসিকিউশন চিঠি পাঠানো হচ্ছে।


মো. সরওয়ার আরও বলেন, কয়েক সপ্তাহের মধ্যে মোবাইল অ্যাপ বা এসএমএসের মাধ্যমেও মামলার তথ্য পাঠানো হবে, যাতে ঘরে বসেই জরিমানা পরিশোধ করা যায়। তিনি জানান, গত এক সপ্তাহে পরীক্ষামূলকভাবে ৩০০টির বেশি ডিজিটাল মামলা করা হয়েছে। ভবিষ্যতে প্রতিদিন প্রায় এক হাজার মামলা হতে পারে বলেও ধারণা করছেন তিনি। ডিএমপি সূত্র জানায়, রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা উন্নত করতে নতুন করে সিগন্যাল লাইট স্থাপন করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে জাহাঙ্গীর গেট থেকে ইন্টারকন্টিনেন্টাল পর্যন্ত সাতটি ক্রসিংয়ে সিগন্যাল লাইট চালু হয়েছে। এছাড়া ডিএমপি নিজ উদ্যোগে আরও ১৫টি পয়েন্টে ট্রাফিক সিগন্যাল স্থাপন করেছে।


ডিএমপি কমিশনার বলেন, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে ক্যামেরা বসিয়ে ওভারস্পিড নিয়ন্ত্রণে ইতিবাচক ফল পাওয়া গেছে। একইভাবে ৩০০ ফুট পূর্বাচল এক্সপ্রেসওয়েতেও ডিজিটাল নজরদারি চালু করা হবে। তিনি আরও বলেন, ঢাকার যানজট কমাতে বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে ইউটার্ন ও রাইট টার্ন নিয়ন্ত্রণ, রাস্তা কাটাকাটি ব্যবস্থাপনা এবং বিকল্প সড়ক চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে রাজধানীতে যানবাহনের গড় গতি ১০ কিলোমিটারের ওপরে উঠেছে বলেও দাবি করেন তিনি।